পাকিস্তান থেকে ৮২ টন পেঁয়াজের প্রথম চালান শাহজালালে অবতরণ

ঢাকা: পাকিস্তান থেকে ৮২ টন আমদানি করা পেঁয়াজের প্রথম চালান ঢাকায় এসে পৌঁছেছে। ঢাকার শাহজালাল আন্তরর্জাতিক বিমানবন্দরে এরই মধ্যে এসে পৌঁছেছে।

বুধবার (২০ নভেম্বর) সন্ধ্যায় পেঁয়াজবাহী প্রথম কার্গো উড়োজাহাজটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

জানা গেছে, পাকিস্তানের শহর করাচির জিন্নাহ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে একটি বিশেষ ফ্লাইট ৮২ টন পেঁয়াজ নিয়ে ঢাকায় এসেছে। দেশটি থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের এটি প্রথম চালান। উড়োজাহাজটি ঢাকায় বিমানবন্দরে নামার সঙ্গে সঙ্গে শুল্ক কার্যক্রম সম্পন্নের কাজ শুরু হয়েছে।

আরও জানা যায়, উড়োজাহাজ থেকে দ্রুত পেঁয়াজ নামাতে সংশ্লিষ্টরা ব্যস্থ রয়েছে।

করাচি থেকে পেঁয়াজ নিয়ে উড়োজাহাজটি ঢাকায় আসার আগে ঢাকা কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার সাজ্জাদ হোসেন বলেছিলেন, পেঁয়াজ খালাসের জন্য ২৪ ঘণ্টা আমাদের টিম প্রস্তুত রয়েছে। পেঁয়াজ বিমানবন্দরে পৌঁছা মাত্রই শুল্ক কার্যক্রম সম্পন্ন করতে সহায়তা করা হবে।

এ বিষয়ে বিমানের এ কর্মকর্তা আরো বলেন, সিল্কওয়ে উড়োজাহাজের ‘সেভেনএল ৩০৮৬’ ফ্লাইটে পেঁয়াজের প্রথম চালানটি এসেছে। এখন দ্রুত শুল্কায়নের প্রক্রিয়া চলছে। এসব পেঁয়াজে কোনো ধরনের শুল্ক চার্জ ধরা হবে না। সম্পূর্ণ ফ্রিতে এসব পেঁয়াজের চালান খালাস করা হবে।

এছাড়া আজ রাতে (বুধবার) মিসর, তুরস্ক ও চীন থেকে পেঁয়াজ আসার কথা রয়েছে।

এর আগে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি মঙ্গলবার সাংবাদিকদের বলেছেন, আমদানি করা পেঁয়াজ বিমানে আনা প্রথম চালান আজ বুধবার পৌঁছবে। এটি মঙ্গলবার আসার কথা ছিল। পেঁয়াজ লোডিংয়ে সমস্যা হওয়ায় ২৪ ঘণ্টা পিছিয়েছে। বিমানে আনা পেঁয়াজ টিসিবির মাধ্যমে বিক্রি করা হবে।

পেঁয়াজ আমদানির ক্ষেত্রে আকাশপথ ব্যবহারে প্রযোজ্য চার্জ মওকুফের ঘোষণা দিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। বুধবার বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। জনস্বার্থে এই চার্জ মওকুফ করা হয়েছে বলে ওই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মহিবুল হক বলেন, পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল রাখার জন্য জনগণের স্বার্থে যতদিন এভাবে আকাশপথে পেঁয়াজ আমদানি করা হবে ততদিন পেঁয়াজ আমদানির ক্ষেত্রে এই চার্জ মওকুফের ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে। আকাশপথে পেঁয়াজ আমদানির সঙ্গে সম্পৃক্ত সব ব্যবসায়ীকে এ ব্যাপারে সর্বতোভাবে সহযোগিতা প্রদান করা হবে।

আকাশপথে যেকোনো পচনশীল দ্রব্য পরিবহনের ক্ষেত্রে প্রতি কেজিতে ১৮ টাকা চার্জ প্রদান করতে হয়। নতুন এ সিদ্ধান্তের ফলে পেঁয়াজ আমদানির ক্ষেত্রে এ চার্জ প্রযোজ্য হবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *