হাইব্রিড রাজনীতিবিদরা হালুয়া রুটিসহ সব খেয়েছে

মেজর জসিম উদ্দিন: রাজনীতিতে একদল থেকে অন্য দলের আগন্তককে হাইব্রিড বলে। এরা দীর্ঘদিন একটি দলের ছত্রছায়ায় থেকে হালুয়া রুটি সহ সব খেয়েছে। সেই দলের পতনের পর তারা সুযোগ বুঝে দল পরিবর্তন করে ক্ষমতায় থাকা দলে যোগ দেয় যাতে হালুয়া রুটির ভাগ কম না পড়ে। এরা কোন দলের বিশ্বস্ত? যে দল তাদের এতদিন লালনপালন করেছে নাকি নতুন যে দলে যোগ দিয়েছে? এদের রক্ত মাংস যে দলের আশির্বাদে বেড়ে উঠে নাদুস নুদুস হয়েছে কি করে দুর্দিনে তাদের ত্যাগ করতে পারে? এরাই মীরজাফরদের বংসধর বা মোশতাক আহম্মেদদের আত্বীয়। এখানেই এরা বিশ্বাসঘাতক।

আবার অন্যভাবে চিন্তা করলে এরা নতুন দলে যোগ দিয়েছে পুরাতন দলকে সাপোর্ট করার জন্য। নতুন দলের সব গোপনিয়তা এরা আপন সেজে পুরাতনদের কাছে সরবরাহ করছে। নতুনের হালুয়া রুটি দিয়ে পুরাতনদের পুষছে। এখানে তারা পুরাতনদের জন্য আশির্বাদ। অনেক ঝুকি নিয়ে তারা তাদের দলকে শক্তিশালী করছে। আবার ক্ষমতায় ফিরে আসার জন্য নিজেকে উৎসর্গ করছে। এরা হিরো পুরাতনদের কাছে কিন্তু নতুনদের কাছে বিশধর সাপ যাকে দুধ কলা দিয়ে পুষছে। ছোবল সে মরবেই। আজ বা কাল।

এবার ভাবতে হবে কারা তাদের আশ্রয় দিচ্ছেন? বড় বড় বটগাছ ছাড়া ছায়া মেলা ভার। আশ্রয়দাতা অবশ্যই বড় গাছ হবেন। আমাদের গুরুজন বা প্রচন্ড ক্ষমতাধর। যাদের কাছে সাধারনের দুই বিঘ ভুই তো ছাড়, ঘরের সুন্দরী মেয়েরাও নিরাপদ নয়। টাকা পয়সা জায়গা জমি হড়প করার পর এরা নজর দেন ঘরের দিকে। নিরাপত্তা সেখানেও নেই। এরা বিশধর সাপ থেকেও ভয়ংকর। শেখ হাসিনা আমার নেত্রী এদের বিনাস চান। আমরা চাইতে পারিনা, কারন হাটুতে শক্তি কমে গিয়েছে, অপুষ্টিতে শরীর জির্নপ্রায়। আমরা কেবল আশির্বাদ করতে পারি মহান নেত্রী তুমি বেছে থাক আমাদের বেচে থাকার শেষ অবলম্বনটুকু রক্ষা করার জন্য।

লেখক: মেজর জসিম উদ্দিন, সাবেক সংসদ সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *